
নিপীড়িত বাঙ্গালী মুসলমানের মুক্তি দূত, এ অঞ্চলের অবহেলিত বিশাল জনগোষ্ঠীর উচ্চ শিক্ষা প্রসারের অগ্রনায়ক, দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েটসহ অগুনতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বপ্নদ্রষ্টা, আধুনিক ঢাকার রূপকার, ভারত বিভক্তির নেতৃত্ব দানকারী একমাত্র রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, কার্যত উপমহাদেশের মুসলমানদের রাজনৈতিক গুরু, মুসলিম জাতিসত্তা রাজনীতির প্রাণপুরুষ, দানবীর, সমাজ সংস্কারক, দানবীর ইত্যাদি জনকল্যাণকর কর্ম বহুল জীবনের পরও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নবাব সলিমুল্লাহ আজ উপেক্ষিত, অবহেলিত। এ লজ্জা জাতির-রাষ্ট্রের, দায়ভার সরকারের। সরকারী উদ্যোগে নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী-মৃত্যুবার্ষিকী পালন এবং পাঠ্য বইয়ে নবাব সলিমুল্লাহর জীবনী অন্তর্ভুক্ত করে সরকার এ লজ্জা ঢাকার উদ্যোগ নিতে পারে।
নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ৭ জুন ঢাকার বেগমবাজারে অবস্থিত নবাব পরিবারের পারিবারিক কবরস্থানে নবাব সলিমুল্লাহর কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে দেয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মহাসচিব প্রবীণ রাজনীতিবিদ কাজী আবুল খায়ের উপরোক্ত মন্তব্য করেন। আরও উপস্থিত ছিলেন দলীয় নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদার, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও এ্যাড. আফতাব হোসেন মোল্লা, অতিরিক্ত মহাসচিব কাজী এ.এ কাফী, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আসাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এড. শরীফুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, হারুনুর রশীদ, আনছারুজ্জামান, আব্দুল আলিম প্রমুখ।
