
নিজস্ব প্রতিবেদক : হালিশহর হাউজিং এস্টেট উচ্চ বিদ্যালয় এবং হালিশহর পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন,বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গার্মেন্টস শিল্পের প্রসারের মাধ্যমে লাখো নারী কর্মসংস্থান পেয়েছে, যা তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিয়েছে। নারীর শিক্ষা বিস্তার ও ক্ষমতায়নে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, একটি দল নারীদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সম্প্রতি একটি দলের আমিরের সোশাল মিডিয়া পোস্টে নারীদের নেতৃত্বের বিরোধিতা করে জঘন্য শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য মোশাররফ হোসেন ডিপটি, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শুকলা সেন ও শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ।
তিনি আরো বলেন তারা মনে করেন না যে নারীরা নেতৃত্বে আসা উচিত। এটি নারী অধিকারের প্রতি সরাসরি আঘাত। আমরা এই ধরনের মধ্যযুগীয় মানসিকতার তীব্র নিন্দা করি এবং নারীদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেখানো পথে হেঁটে বেগম খালেদা জিয়া নারীর শিক্ষা বিস্তার এবং ক্ষমতায়নের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাঁর সরকারের আমলে মাধ্যমিক স্তরে মেয়েদের জন্য স্টাইপেন্ড প্রোগ্রাম চালু হয়, যা গ্রামীণ এলাকায় নারীশিক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। এছাড়া, সরকারি চাকরি, শিক্ষা এবং পুলিশ বিভাগে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়ার এই অবদানগুলো বাংলাদেশের নারীদের জীবনে একটি নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে, যা আজও অনুপ্রেরণার উৎস।
শিক্ষা হলো জাতির মেরুদণ্ড। তোমরা শুধু পড়াশোনায় নয়, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করে নিজেদের সার্বিক বিকাশ ঘটাও। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন শিক্ষা খাতে আরও বিনিয়োগ করে নগরবাসীদের জন্য উন্নত সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়া চলবে না। শিক্ষা, চিকিৎসা, রাজনীতিসহ সব জায়গায় বেগম খালেদা জিয়ার মতো আমাদের মেয়েদের নেতৃত্ব দিতে হবে।
