
‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন অন্যায়কারী যেই হোক আমরা প্রশ্রয় দিব না । সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগনের জানমালের হেফাযত করা , সরকার কেন প্রশ্রয় দিচ্ছে ?
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল।
তারেক রহমান বলেন পুরান ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে লাল চাঁদকে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, পুরান ঢাকায় যে ঘটনাটি ঘটে গেছে, যে ছেলেটি মারা গেছে, তার সঙ্গে হয়তো যুবদলের সম্পর্ক আছে। কিন্তু যে খুন করেছে, আমরা যে খবর পেয়েছি, তাকে অন্য জায়গা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে ধরা হচ্ছে না। ধরা হলো অন্যদের। তাকে আসামিও এখন পর্যন্ত করা হয়নি বোধ হয়। কেন হয়নি, কেন ধরা হচ্ছে না?
এখানে (সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব) রিজভী আহমেদ সাহেব পরিষ্কার বলেছেন, দলীয় অবস্থান থেকে আমাদের যা যা করা প্রয়োজন, আমরা যেটি যেটি জেনেছি, তদন্তের পরে যাদের নামে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, আমরা দলীয় অবস্থান থেকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন তাহলে বসে আছে? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চালায় কে? বিএনপি তো চালায় না। চালাচ্ছে তো সরকার। তাহলে সরকার কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না তাদের বিরুদ্ধে, সে দলেরই হোক বা অন্য কোনো লোকই হোক। কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না?
বাংলাদেশ নিয়ে এখনো একটি অদৃশ্য চক্র ষড়যন্ত্র করছে। সুস্থ-স্বাভাবিক পরিবেশ কে বা কারা অস্থির করে তুলছে, এটা আমরা জানি।
তিনি জুলাই সনদ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে বলেন, তিন মাস আগে বিএনপি জুলাই সনদ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। এখন সেই সনদের বাস্তবায়ন সরকারের ওপর নির্ভর করছে। ইস্যুবিহীন বিষয়গুলোকে ইস্যু বানিয়ে কেউ কেউ অস্থিরতা তৈরি করছে। প্রশাসনের ভেতরেও এখনো বিগত সরকারের দোসররা রয়ে গেছে। নতুন করে কেউ আবার ভূতের মতো যুক্ত হয়েছে কি না, সে ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে।
