
রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন সারাদেশে টাকা উদ্ধার অভিযানের নামে অনেককে হয়রানি করা হচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, মাত্র ২০ হাজার টাকা বহনের অভিযোগে জামায়াতের এক নেতাকে আটক ও হেনস্তা করা হয়েছে এবং তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এমন ভিডিও তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। গত ১৭ মাসে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারও টাকা উদ্ধারের নামে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। কোনো এক নেতার বাসা থেকে সাত লাখ টাকা ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধারের সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ‘বাসায় ল্যাপটপ থাকা কি অপরাধ?’—এ প্রশ্ন তুলে তিনি অভিযোগ করেন, পক্ষপাতদুষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও কিছু স্থানীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে একটি ‘নাটক মঞ্চায়ন’ করা হচ্ছে।
যে দলের প্রার্থীই হোক, অর্থ দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করলে নির্বাচন কমিশনের নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেটরা যেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেন—এটাই আমাদের দাবি। একই সঙ্গে অর্থ বহন বা বাসায় অর্থ রাখার মতো বিষয়কে অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে প্রশাসনকে আরও নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় দেশব্যাপী যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের প্রশংসাও করেন তিনি।বিএনপি ও তাদের জোটের কিছু প্রার্থী দুর্বল অবস্থানে থাকায় নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির এক প্রার্থীর প্রার্থিতা ঋণখেলাপির কারণে বাতিল হয়েছে। পরে তিনি ভোটারদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন এনসিপির এ নেতা। কমিশন কেবল সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে, যা ‘কাপুরুষোচিত অবস্থান’। তার মতে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজ দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন; সেক্ষেত্রে কমিশনের আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল।
