
নগরীর ২ নম্বর গেট সংলগ্ন নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত ‘হালাল শেফ’ ফ্রিজে কাঁচা মাংসের সঙ্গে রান্না করা মাংস, ডাল, চটপটির ডাল, ভাত ও ফ্রাইড রাইস সংরক্ষণ এবং ক্ষতিকর কেমিক্যাল রং মেশানো মরিচ ব্যবহার করে রান্নার প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তারই পাশাপাশি ফয়সাল মেডিকোকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং হীরা ফার্মাকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রয়ের দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা হয়।
নাসিরাবাদ হাউজিং এলাকার ‘৭ ডেজ’ রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে অননুমোদিত কেমিক্যাল রং ব্যবহার, বাসমতি চালের ওপর বিড়াল চলাচল, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর চপিং বোর্ড ব্যবহার এবং বিড়ালের ও ইঁদুরের বিষ্ঠা মিশ্রিত বাসমতি চাল দিয়ে খাবার রান্নার প্রমাণ পাওয়ায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। শাহ আমীন সুপার শপে অননুমোদিত ও মূল্যবিহীন পণ্য বিক্রির অভিযোগে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জনস্বার্থে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে চলমান থাকবে বলে জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ।