নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কোরবানির পর ঘোষিত সময় বিকেল পাঁচটার মধ্যে চট্টগ্রাম নগরী প্রায় বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে। সময়ের মধ্যে প্রায় চার হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এসব বর্জ্য সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে যেসব পশু কোরবানি হয়েছে সেগুলোর।
কোরবানির পর সকাল ৮টা থেকে পাড়া-মহল্লার অলিগলি থেকে কোরবানির বর্জ্য ও পুরনো খড়কুটোসহ বিভিন্ন আবর্জনা সংগ্রহ শুরু করেন সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। এক ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো নিয়ে সড়কে নির্ধারিত স্থানে জমা করতে শুরু করেন। সকাল ৯টার পর থেকে ৩২২টি প্রাক নিয়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মী বর্জ্যগুলো সংগ্রহ করে আবর্জনাগারে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পানি ও ব্লিচিং পাউডার ছিটানো শুরু করেন।
মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের চার হাজারেরও বেশি কর্মী কাজ করেছে। বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যেই আমরা নগরীকে প্রায় বর্জ্যমুক্ত করে ফেলেছি। তবে নগরীতে অনেকে দুপুর বা সন্ধ্যায়ও কোরবানি দেন, আবার কিছু প্রান্তিক এলাকায় পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম পরিচালনা কিছুটা কঠিন। এসব বর্জ্য রাত ৮টার মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে কাজ চলছে৷ নাগরিকদের কোরবানির বর্জ্য সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণে দামপাড়ায় কন্ট্রোল রুম চালু আছে৷ কোথাও কোনো কোরবানির বর্জ্য থাকলে আমাদের জানালে তা পরিষ্কার করা হচ্ছে৷’
মেয়রের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর মোবারক আলী, হাসান মুরাদ বিপ্লব, আবদুস সালাম মাসুম, পুলক খাস্তগীর, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, আকবর আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদুল হাসান, মশক নিধন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম ।